***ভর্তি চলিতেছে! ভর্তি চলিতেছে!! ভর্তি চলিতেছে!!! শতভাগ পাশ, সর্বাধিক GPA-5 প্রাপ্ত মৌলভীবাজার জেলার শ্রেষ্ঠ কলেজ হিসেবে স্বীকৃতিপ্রাপ্ত বাংলাদেশ বিমান বাহিনী পরিচালিত প্রতিষ্ঠান বিএএফ শাহীন কলেজ শমশেরনগর-এ একাদশ শ্রেণিতে ২০১৭-২০১৮ শিক্ষাবর্ষে বিজ্ঞান, ব্যবসায় শিক্ষা ও মানবিক বিভাগে ছাত্র-ছাত্রী ভর্তি চলিতেছে। কলেজের EIIN NO:135720. বিস্তারিত তথ্যের জন্য যোগাযোগ করুন : ০১৭৬৯৯৭৫৭৯১,০১৭৬৯৯৭৫৭৯২,০১৭৬৯৯৭৫৭৯৩।*** ** এ বছর এসএসসি পরিক্ষায় শতভাগ পাশসহ ৫২ টি A+ এর সাফল্য অর্জন করেছে বিএএফ শাহীন কলেজ শমসেরনগর**

পরীক্ষা পদ্ধতি

১।    প্রতি মেয়াদে ১ম থেকে ৩য় শ্রেণি পর্যন্ত ৪টি করে ক্লাস টেস্ট নেয়া হয়। প্রতিটি ক্লাস টেস্টে ২৫ নম্বর থাকবে।
২।    শিশু থেকে ৩য় শ্রেণি ব্যতীত অন্যান্য শ্রেণির জন্য প্রতি মেয়াদান্তে মেয়াদি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। মেয়াদি পরীক্ষার ছাপানো প্রোগ্রাম প্রত্যেক ছাত্রছাত্রীকে পরীক্ষার পূর্বে সরবরাহ করা হয়। প্রোগ্রামে কোন পরিবর্তন হলে নোটিশবোর্ড ও ওয়েবসাইটের মাধ্যমে জানিয়ে দেয়া হয়।
৩।    ৪র্থ থেকে উচ্চতর শ্রেণিতে প্রত্যেক বিষয়ে (ড্রইং  ও শারীরিক শিক্ষা ব্যতীত), ক্লাস টেস্ট এবং পরীক্ষা ১০০ নম্বরে হবে যা ফলাফল নির্ধারণে ৭০%এ পরিবর্তন করা হবে।
৪।    ১০ম শ্রেণির প্রাক-নির্বাচনি ও নির্বাচনি এবং দ্বাদশ শ্রেণির নির্বাচনী পরীক্ষা বোর্ডের নিয়মানুযায়ী হবে। নির্বাচনি পরীক্ষায় অকৃতকার্য ছাত্র-ছাত্রীকে বোর্ডের পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে দেয়া হবে না।
৫।    তিনটি মেয়াদি পরীক্ষায় প্রাপ্ত নম্বরের গড় করে বার্ষিক পরীক্ষায় মেধা তালিকা তৈরি করা হয়।
৬।    শিশু থেকে ৩য় শ্রেণি পর্যন্ত কোন মেয়াদি পরীক্ষা হবে না। শুধু ক্লাস টেস্ট হবে এবং ক্লাস টেস্টগুলোর গড়ের ভিত্তিতে ফলাফল নির্ধারিত হবে।
৭।    প্রতিটি শ্রেণিতে মেধা তালিকায় শুধুমাত্র ১ম স্থান অধিকারীকে বিনা বেতনে পড়ার সুযোগ দেয়া হয়।
৮।    চূড়ান্ত ফলাফল বা বাৎসরিক পরীক্ষায় প্রতি বিষয়ে কৃতকার্য না হলে পরবর্তী শ্রেণিতে প্রমোশন দেয়া হয় না।
৯।    শ্রেণিভিত্তিক পাসের নম্বর হচ্ছে কেজি থেকে ৫ম শ্রেণি ৫০% এবং ৬ষ্ঠ থেকে দ্বাদশ শ্রেণি ৪০%
১০।    কোন পরীক্ষা নির্ধারিত সময়ে না দিতে পারলে উপযুক্ত কারণ দেখিয়ে শ্রেণিশিক্ষকের মাধ্যমে অধ্যক্ষ বরাবর আবেদন করতে হবে।
১১।    মেয়াদি পরীক্ষার খাতা কলেজ কর্তৃক সরবরাহ করা হয়।
১২।    ক্লাস টেস্ট এবং ১ম ও ২য় মেয়াদি খাতা অভিভাবকদের পর্যবেক্ষণের জন্য পাঠান হয় ও দু’দিন পর ফেরত নেয়া হয়। ৩য় মেয়াদি পরীক্ষার খাতা নির্দিষ্ট তারিখে শ্রেণিকক্ষে দেখানো হয় এবং প্রতি মেয়াদান্তে রিপোর্ট কার্ড পাঠানো হয় এবং অভিভাবকের স্বাক্ষরের পর ফেরত নেয়া হয়।